Showing posts with label রাজধানী. Show all posts
Showing posts with label রাজধানী. Show all posts

Sunday, June 7, 2026

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় সোহেল-স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় সোহেল-স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

 


রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় সোহেল-স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড


রাজধানীর পল্লবীতে আলোচিত শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।


রায় ঘোষণার আগে থেকেই আদালত এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও তৎপর থাকতে দেখা যায়। সকালেই কারাগার থেকে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়।


মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৯ মে পল্লবীর একটি বাসায় পাশবিক নির্যাতনের শিকার হয় আট বছর বয়সী রামিসা। পরে তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর নিহত শিশুর বাবা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করা হয়।


তদন্তে উঠে আসে, ঘটনার দিন সকালে রামিসা বাসা থেকে বের হওয়ার পর কৌশলে তাকে নিজেদের ফ্ল্যাটে নিয়ে যায় আসামিরা। দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পর পরিবারের সদস্যরা সন্দেহজনক পরিস্থিতিতে ওই ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করে এবং স্বপ্নাকে আটক করে। পরবর্তীতে প্রযুক্তির সহায়তায় অন্য স্থান থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।


মামলাটি ব্যাপক জনমত সৃষ্টি করায় দ্রুত বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। স্বল্প সময়ের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। এরপর সাক্ষ্যগ্রহণ, জেরা ও যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের জন্য দিন নির্ধারণ করা হয়।


বিচার চলাকালে নিহত শিশুর বাবা-মা, স্বজন, প্রতিবেশী, তদন্ত কর্মকর্তা এবং ফরেনসিক বিশেষজ্ঞসহ একাধিক সাক্ষী আদালতে জবানবন্দি দেন। তাদের বক্তব্যে ঘটনার ভয়াবহতা ও নির্মমতার বিভিন্ন দিক উঠে আসে।


ফরেনসিক প্রতিবেদনে শিশুটির ওপর যৌন নির্যাতনের আলামত এবং হত্যাকাণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়। তদন্ত কর্মকর্তার উপস্থাপিত তথ্য, সাক্ষ্যপ্রমাণ ও আলামত পর্যালোচনা শেষে আদালত এ রায় প্রদান করেন।


রায়ের পর আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও সন্তোষের প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। একই সঙ্গে নিহত রামিসার পরিবারের সদস্যরা দ্রুত বিচার নিশ্চিত করায় সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।


দেশজুড়ে আলোচিত এ মামলার রায়কে শিশু নির্যাতন ও হত্যার বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা হিসেবে দেখছেন আইন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

Thursday, June 4, 2026

১৯ দিনের মাথায় রায় হচ্ছে, আদালতে যা বলল রাষ্ট্রপক্ষ–আসামিপক্ষ

১৯ দিনের মাথায় রায় হচ্ছে, আদালতে যা বলল রাষ্ট্রপক্ষ–আসামিপক্ষ

 


রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় রায় ঘোষণার দিন ধার্য করা হলো। মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি আজ বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত ৭ জুন রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেছেন। শিশুটিকে হত্যা ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটে গত ১৯ মে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে বিচারক মাসরুর সালেকীন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে আসেন। এরপর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু যুক্তিতর্ক শুরু করেন। বেলা ১টা ৩৬ মিনিটে উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত এ আদেশ দেন।

সকাল ৯টার দিকে কারাগার থেকে প্রিজন ভ্যানে আদালতের হাজতখানায় রাখা হয় প্রধান আসামি সোহেল রানাকে। পরে বেলা ১১টা ২৪ মিনিটে তাঁকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। আসামি স্বপ্না আক্তারকে আদালতে হাজির করা হয় বেলা ১১টা ৩৯ মিনিটে। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী পিটার গোমেজ জানান, আসামি স্বপ্না আক্তার অসুস্থ থাকায় তিনি হাসপাতাল থেকে এসেছেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আসামি সোহেল রানাকে দোষী সাব্যস্ত করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়ের করা মামলায় তাঁর সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান। সোহেলের অপরাধে সহযোগিতা ও বাধা না দেওয়ার বিষয় উল্লেখ করে আসামি স্বপ্না আক্তারের আইনানুগ শাস্তির দাবি জানান। তিনি আদালতে শিশুর বাবা ও মায়ের সাক্ষ্য পড়ে শোনান। পরবর্তী সময় তিনি আদালতে ভুক্তভোগীর পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলেন, পাশাপাশি ফ্ল্যাটেই ঘটনার শিকার ও আসামিদের বসবাস ছিল। ঘটনার দিন ওই শিশুকে আসামি তাঁর ফ্ল্যাটে নিয়ে ধর্ষণ করেন ও নৃশংসভাবে হত্যা করেন। ১৬ জন সাক্ষী এই সাক্ষ্য দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, ওই ফ্লোরে আর কোনো পরিবারের বসবাস ছিল না। এখানে আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, হত্যাকাণ্ডের পুরো সময় সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার বাসার ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে রেখেছিলেন। বাইরে থেকে দরজা খুলতে বললে স্বপ্না ভেতর থেকে শিশু নেই বলে জানান।

আইনজীবী আরও বলেন, ঘটনার দিন প্রত্যক্ষদর্শী আবু শামা আসামি সোহেলকে ভবনের তিনতলা থেকে জানালায় পা দিয়ে নামতে দেখেন। এতে প্রমাণিত হয়, সোহেল রানা ওই শিশুকে ধর্ষণ করে হত্যা করে জানলার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায়। আইনজীবী সুরতহাল প্রস্তুতকারী কনস্টেবলের সাক্ষী তুলে ধরে আসামিদের দোষী সাব্যস্ত করেন।

জবানবন্দিতে আসামি সোহেল রানার দেওয়া বর্ণনা আদালতে পড়ে শোনান আইনজীবী। আসামি তাঁর জবানবন্দিতে কোথাও ডলার নামে কারও কথা উল্লেখ করেননি বলেও জানান তিনি পরবর্তী সময় বেলা ১টা ৩১ মিনিটে আসামিপক্ষের আইনজীবী যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু করেন। আসামির পক্ষে তিনি বলেন, আসামি তাঁর জবানবন্দিতে বলেছেন আসামি নেশা করেন। একজন নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি কখনো সঠিক কথা বলতে পারে না। জবানবন্দির পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে শাস্তি দেওয়া ঠিক নয়। পরে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলেন, ঘটনার সময় ও জবানবন্দি দেওয়ার সময় আসামি নেশাগ্রস্ত ছিলেন না।

গত ১৯ মে পল্লবীর একটি ভবনের ফ্ল্যাট থেকে শিশুটির খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করা হয়। ফ্ল্যাটটির বাসিন্দা আসামি সোহেল ঘটনার পর বাসার শৌচাগারের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান। বাসা থেকে তাঁর স্ত্রীকে তখনই আটক করা হয়। আর সেদিন সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেলকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন।

এ মামলায় ১ জুন সোহেল রানা ও তাঁর স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। এ মামলায় ২ জুন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন শিশুটির মা-বাবাসহ ১০ জন।

গত ২০ মে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন আসামি সোহেল রানা। শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যার কথা তিনি স্বীকার করেন বলে পুলিশ জানায়। পরে ১ জুন আদালতে সোহেল রানা দাবি করেন, ডলার নামের একজন শিশুটিকে ধর্ষণ করেছেন। ডলারের পরিচয় জানতে চাইলে সোহেল রানা বলেন, তাঁর বাড়ি মিরপুরে। তিনি অনেক টাকাওয়ালা। নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সোহেল রানা আদালতকে বলেন, ‘আমি মারিনি। আমি ধর্ষণও করিনি। আমার স্ত্রীও নির্দোষ।’ পরদিন ২ জুন আদালতে আসামি সোহেল রানা বলেন, ‘আমার সাথে যে ছিল ডলার, তারে আপনারা ধরেন। আমি দোষ করি নাই তা না, আমিও দোষ করেছি, ডলারও দোষ করেছে...।’

তবে আসামিপক্ষে সরকার নিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমুল্লাহ বলেন, আসামিরা তাঁর কাছে ডলার সম্পর্কে কিছুই বলেনি। পুলিশ রিপোর্টে ডলারের নাম নেই বলেও তিনি জানান।

Sunday, January 25, 2026

বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তিতে জায়গা পাচ্ছেন ২৭ জন ক্রিকেটার।

বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তিতে জায়গা পাচ্ছেন ২৭ জন ক্রিকেটার।

 



বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবিকেন্দ্রীয় চুক্তিতে জায়গা পাওয়া ২২ ক্রিকেটারের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। গত ১ জানুয়ারি থেকে আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে এই চুক্তি। তবে এ বছরের ফেব্রুয়ারির পর কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে নিজের নাম সরিয়ে নিতে বিসিবিকে অনুরোধ জানিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ফলে ১ মার্চ থেকে চুক্তির বাইরে থাকবেন মাহমুদউল্লাহ। দীর্ঘ সময় পর তালিকায় জায়গা হারিয়েছেন সাকিব আল হাসান। লম্বা সময় ধরে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের পেস বিভাগের নেতৃত্ব দেওয়ার পুরস্কার পেয়েছেন তাসকিন আহমেদ। বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তিতে শীর্ষ ক্যাটাগরিতে জায়গা করে নিয়েছেন এই অভিজ্ঞ পেসার। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে গতির পসরা মেলে ধরে প্রথমবার কেন্দ্রীয় চুক্তিতে এসেছেন পেসার নাহিদ রানা। গতকাল সোমবার ২০২৫ সালের কেন্দ্রীয় চুক্তির তালিকা প্রকাশ করে বিসিবি। গত কয়েক বছরে ক্রিকেটারদের সঙ্গে সংস্করণভেদে আলাদা চুক্তি করে আসছিল বিসিবি। এবার সেখান থেকে সরে এসে ‘এ প্লাস’, ‘এ’, ‘বি’, ‘সি’, ‘ডি’– মোট পাঁচ ক্যাটাগরিতে রাখা হয়েছে ২২ ক্রিকেটারকে। গত বছর কেন্দ্রীয় চুক্তিতে ছিলেন ২১ জন। গত বছর তিন সংস্করণের চুক্তিতে ছিলেন সাকিব আল হাসানলিটন কুমার দাসমেহেদী হাসান মিরাজনাজমুল হোসেন শান্ত ও শরিফুল ইসলাম। গত সেপ্টেম্বরের পর থেকে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার থমকে থাকা সাকিবকে এবার বাদ দেওয়া হয়েছে চুক্তি থেকে। গত বছরের চুক্তি থেকে আরও বাদ পড়েছেন নুরুল হাসান সোহানজাকির হাসানমাহমুদুল হাসান জয় ও নাঈম হাসান। শুধু টেস্টের চুক্তিতে ছিলেন জাকিরজয় ও নাঈম। টিটোয়েন্টির চুক্তিতে ছিলেন সোহান। এবার কেন্দ্রীয় চুক্তিতে ফিরেছেন সৌম্য সরকার ও সাদমান ইসলাম। নাহিদ ছাড়াও প্রথমবার চুক্তিতে জায়গা পেয়েছেন জাকের আলিরিশাদ হোসেন ও তানজিদ হাসান। এই তিন জনকেই রাখা হয়েছে ‘সি’ ক্যাটাগরিতে। নাহিদের জায়গা হয়েছে ‘বি’তে।

নতুন কেন্দ্রীয় চুক্তিতে ‘এ প্লাস’ ক্যাটাগরিতে থাকা তাসকিন প্রতি মাসে পাবেন ১০ লাখ টাকা পারিশ্রমিক। এছাড়া ‘এ’ ক্যাটাগরিতে ৮ লাখ, ‘বি’ ক্যাটাগরিতে ৬ লাখ, ‘সি’ ক্যাটাগরিতে ৪ লাখ ও ‘ডি’ ক্যাটাগরিতে থাকা ক্রিকেটাররা পাবেন ২ লাখ টাকা করে। এবার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকের ‘এ’ ক্যাটাগরিতে আছেন শান্তমিরাজ ও লিটন। সদ্য সমাপ্ত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দল থেকে বাদ পড়া শরিফুলের জায়গা হয়েছে ‘সি’ ক্যাটাগরিতে।

চুক্তিতে মুশফিকুর রহিমকে রাখা হয়েছিল ‘এ’ ক্যাটাগরিতে। তিনি টেস্ট ও ওয়ানডে খেলবেন সেটা ধরেই নাম প্রস্তাব করা হয়েছিল। চলতি মাসের শুরুতে ওয়ানডে ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন মুশফিকুর রহিম। শুধুমাত্র টেস্ট খেলবেন। তাই ১ মার্চ থেকে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে থাকবেন মুশফিক। তাই মার্চ মাস থেকে ‘বি’ ক্যাটাগরির ক্রিকেটার হিসেবে গণ্য হবেন অভিজ্ঞ কিপারব্যাটার। মাহমুদউল্লাহকে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে রেখে তালিকা চূড়ান্ত করেছিল বোর্ডের ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগ। তবে ফেব্রুয়ারির পর থেকে নিজেকে চুক্তিতে না রাখার অনুরোধ করেছেন ৩৯ বছর বয়সী ক্রিকেটার। তাই মার্চ থেকে আর বিসিবির চুক্তিভুক্ত ক্রিকেটার নন তিনি। এছাড়া গত বছর টিটোয়েন্টিতে দারুণ পারফর্ম করা শামীম হোসেনের কেন্দ্রীয় চুক্তিতে জায়গা হয়নি।

২০২৫ সালের বিসিবি কেন্দ্রীয় চুক্তি: ‘এ প্লাস’: (মাসে বেতন ১০ লক্ষ টাকাতাসকিন আহমেদ, ‘এ’: (মাসে বেতন ৮ লক্ষ টাকানাজমুল হোসেন শান্তমেহেদী হাসান মিরাজলিটন কুমার দাসমুশফিকুর রহিম (মার্চ থেকে বি ক্যাটাগরি),‘বি’: (মাসে বেতন ৬ লক্ষ টাকামোমিনুল হকতাইজুল ইসলামমাহমুদউল্লাহ (ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত), মুস্তাফিজুর রহমানতাওহিদ হৃদয়হাসান মাহমুদনাহিদ রানা,‘সি’: (মাসে বেতন ৪ লক্ষ টাকাসাদমান ইসলামসৌম্য সরকারজাকের আলিতানজিদ হাসানশরিফুল ইসলামরিশাদ হোসেনতানজিম হাসানশেখ মেহেদি হাসান,‘ডি’: (মাসে বেতন ২ লক্ষ টাকানাসুম আহমেদসৈয়দ খালেদ আহমেদ।

বিসিবির এই চুক্তি প্রসঙ্গে ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদীন বলেন, ‘যারা টেস্ট ক্রিকেট খেলবেতারা যেন লাভবান হয় তেমন একটি চুক্তি করতে চেয়েছি আমরা।’ তিনি আরো বলেনক্রিকেটারদের বেতন গ্রেড বদলের পাশাপাশি ম্যাচ ফিও বাড়বে।

Friday, December 26, 2025

স্মৃতিসৌধের পথে তারেক রহমান

স্মৃতিসৌধের পথে তারেক রহমান

 



মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে যাচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকেলে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও পিতা জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করে সাভারের পথে রওনা হন তিনি।

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে স্মৃতিসৌধ এলাকা সাজিয়ে-গুছিয়ে রাখা হয়েছে। একইসঙ্গে স্মৃতিসৌধ এলাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

এর আগে, পিতার কবর জিয়ারত ও স্মৃতিসৌধে যাওয়ার উদ্দেশে শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) দুপুর ২টা ৫২ মিনিটে বাসা থেকে বের হন তারেক রহমান। পথে নেতাকর্মীদের ভিড় থাকায় জিয়াউর রহমানের সমাধিস্থলে পৌঁছান বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটের দিকে। এরপর সেখানে মোনাজাতে অংশ নিয়ে রওনা দেন সাভারের পথে।

কিন্তু সূর্য ডুবে যাওয়ায় ইতোমধ্যে রীতি মেনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য‍ মইন খানের নেতৃত্বে বিনপির একটি প্রতিনিধি দল তারেক রহমানের পক্ষ থেকে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। তবে তারেক রহমান যাচ্ছেন স্মৃতিসৌধে।

লঞ্চ দুর্ঘটনায় হতাহতদের জন্য অনুদানের ঘোষণা নৌ উপদেষ্টার

লঞ্চ দুর্ঘটনায় হতাহতদের জন্য অনুদানের ঘোষণা নৌ উপদেষ্টার

 


চাঁদপুরের মেঘনা নদীতে লঞ্চ দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে দেড় লাখ টাকা এবং আহতদের চিকিৎসার জন্য ৫০ হাজার টাকা অনুদান দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা ড. এম সাখাওয়াত হোসেন। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) রাজধানীর সদরঘাটে ক্ষতিগ্রস্ত লঞ্চ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

উপদেষ্টা বলেন, সব ধরনের পরিবহনের মধ্যে নদীপথ তুলনামূলকভাবে নিরাপদ। তারপরও এ ধরনের দুর্ঘটনা মেনে নেয়া যায় না। আমি নিজেও নিয়মিত নদীপথে যাতায়াত করি। লক্ষ্য করেছি, অনেক সময় রাতে লঞ্চ চলাচলের ক্ষেত্রে লাইট ব্যবহার করা হয় না।

তিনি জানান, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আট সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুই লঞ্চের দায়িত্বপ্রাপ্তদের গ্রেফতারের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

তিনি আরো জানান, এরই মধ্যে কয়েকটি নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। রাতে কুয়াশার মধ্যে কোনো লঞ্চ চলাচল করতে পারবে না। রাতে কোথাও দাঁড়ালে অবশ্যই লাইট ব্যবহার করতে হবে। এ মৌসুমে বাল্কহেড সকাল ৮টার আগে চলাচল করতে পারবে না। এসব নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্টদের গ্রেফতার করা হবে।

ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, এ ধরনের দুর্ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ঝড় বা তুফানে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, কিন্তু যেভাবে দুটি লঞ্চের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে, তাতে মনে হয় চালক ঘুমিয়ে পড়েছিলেন অথবা অন্য কাউকে দিয়ে লঞ্চ চালাচ্ছিলেন। তবে তদন্ত ছাড়া নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাবে না।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে কোনো লঞ্চচালক সঠিকভাবে লঞ্চ পরিচালনা না করলে, রাতে লাইট ব্যবহার না করলে বা নির্দেশনা অমান্য করলে তাদের রুট পারমিট ও লাইসেন্স বাতিল করা হবে।

তারেক রহমানের হাত ধরে গণতান্ত্রিক যাত্রায় এগিয়ে যাবে দেশ: মির্জা ফখরুল

তারেক রহমানের হাত ধরে গণতান্ত্রিক যাত্রায় এগিয়ে যাবে দেশ: মির্জা ফখরুল



বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাত ধরে দেশ গণতান্ত্রিক যাত্রার পথে এগিয়ে যাবে। তার রাজসিক প্রত্যাবর্তন সেই বার্তা বহন করে।

শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) দুপুরে জিয়াউর রহমানের মাজার প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনেরও প্রত্যাশাও জানান তিনি।

দীর্ঘ ১৯ বছর পর আজ জিয়াউর রহমানের সমাধিতে যাচ্ছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সর্বশেষ ২০০৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর বাবার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।

সূর্যাস্তের আগে স্মৃতিসৌধে পৌঁছতে পারেননি তারেক রহমান, শ্রদ্ধা জানালেন দলের প্রতিনিধিরা

সূর্যাস্তের আগে স্মৃতিসৌধে পৌঁছতে পারেননি তারেক রহমান, শ্রদ্ধা জানালেন দলের প্রতিনিধিরা




বিকাল ৫টার পর তার পক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও ড. আব্দুল মঈন খানসহ একটি প্রতিনিধিদল। পথে জনতার ভিড়ের কারণে সূর্যাস্তের আগে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পৌঁছতে পারেননি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নিয়ম অনুযায়ী সূর্যাস্তের আগে স্মৃতিসৌধের মূল বেদীতে শ্রদ্ধা জানাতে হয়। এ কারণে বিকাল ৫টার পর তার পক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও ড. আব্দুল মঈন খানসহ একটি প্রতিনিধিদল। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের পথে রয়েছেন। এদিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক নিরাপত্তায় বিকাল পৌনে ৫টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের সমাধিস্থলে পৌঁছান তিনি। সেখানে বাবার কবর জিয়ারত ও ফুলেল শ্রদ্ধা জানিয়ে জাতীয় স্মৃতিসৌধের উদ্দেশে রওনা হন। পথে জনতার ভিড়ের কারণে সূর্যাস্তের আগে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পৌঁছাতে পারেননি তিনি।
গুলিস্তানে বহুতল ভবনে আগুন

গুলিস্তানে বহুতল ভবনে আগুন

 




রাত সাড়ে ১২টার দিকে সংবাদ পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের প্রথম ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। তাদের চারটি ইউনিটের চেষ্টায় রাত ১টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। রাজধানীর গুলিস্তানে একটি ছয়তলা ভবনে আগুন লেগেছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। ফায়ার সার্ভিসের চার ইউনিটের চেষ্টায় রাত ১টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণকক্ষের ডিউটি অফিসার আনোয়ার জানান, রাত সাড়ে ১২টার দিকে গুলিস্তান মোড়ে হোটেল রমনার পাশের ছয়তলা ভবনের তৃতীয় তলায় আগুন লাগার খবর পেয়ে তাদের প্রথম ইউনিটটি ঘটনাস্থলে যায়। পরে মোট চারটি ইউনিটের চেষ্টায় রাত ১টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।