Showing posts with label international. Show all posts
Showing posts with label international. Show all posts

Friday, January 30, 2026

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর অফিসিয়াল গান ‘Feel the Thrill’ উন্মোচন করল আইসিসি

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর অফিসিয়াল গান ‘Feel the Thrill’ উন্মোচন করল আইসিসি


আসন্ন আইসিসি মেনস টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ সামনে রেখে উত্তেজনার পারদ আরও বাড়িয়ে দিল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। শুক্রবার টুর্নামেন্টের অফিসিয়াল থিম সং হিসেবে প্রকাশ করা হয়েছে ‘Feel the Thrill’ শিরোনামের গানটি।



গানটি ইতোমধ্যে স্পটিফাই, অ্যাপল মিউজিক, অ্যামাজন মিউজিক, জিওসাভন, ইউটিউব মিউজিকসহ ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকের মতো বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে শোনা যাচ্ছে।

উদ্দীপনাময় এই গানটির সুর ও কণ্ঠ দিয়েছেন জনপ্রিয় ভারতীয় সংগীত পরিচালক ও গায়ক অনিরুধ রবিচন্দর। বিশ্বকাপের উত্তেজনা ও আবেগকে সুরের মাধ্যমে তুলে ধরাই এই গানের মূল লক্ষ্য। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হতে যাওয়া টুর্নামেন্টের আগে এটি ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে আলাদা রোমাঞ্চ তৈরি করছে।

গানের কথায় ফুটে উঠেছে প্রতিদ্বন্দ্বিতার তীব্রতা। “যখন দেশগুলো মুখোমুখি হয়, তখন খেলা শুধু দেখা হয় না, তা অনুভব করা হয়”— এমন শক্তিশালী বার্তার মধ্য দিয়ে টি–টোয়েন্টি ক্রিকেটের আগ্রাসী ও আবেগী রূপ তুলে ধরা হয়েছে।

আইসিসির আশা, ‘Feel the Thrill’ গানটি মেনস টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-কে ঘিরে বিশ্বজুড়ে দর্শকদের উন্মাদনা আরও বাড়িয়ে তুলবে।

Thursday, January 29, 2026

ভারতে বিশ্বকাপে অংশ নিতে অনিচ্ছুক ইংল্যান্ডের মূল কারণ

ভারতে বিশ্বকাপে অংশ নিতে অনিচ্ছুক ইংল্যান্ডের মূল কারণ



নিপা ভাইরাসের সম্প্রতি প্রাদুর্ভাবের কারণে ইংল্যান্ডের দল ভারতের মাঠে খেলতে আপত্তি জানিয়েছে। পাকিস্তানের জিএনএন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউরোপের কয়েকটি দেশও একই কারণে ভারতে বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে সতর্ক।

জিএনএন-এর এক প্রোগ্রামে বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, ‘ভারতের শুরুতেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথেষ্ট কার্যকর ছিল না। ভাইরাসটি বেঙ্গলে ছড়িয়ে পড়েছে, যা বাংলাদেশের সীমান্তের কাছে। পরিস্থিতি এমন, পুরো টুর্নামেন্ট শ্রীলঙ্কায় সরানোও সহজ নয়।’

শ্রীলঙ্কায় সব ম্যাচ আয়োজন করা সম্ভব হলেও সীমিত ভেন্যু ও সময়ের কারণে এটি খুব কঠিন। বিশেষ করে কয়েকদিন আগে বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার পর এই যুক্তিতে ভেন্যু পরিবর্তন কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। জিএনএন-এর খবরে বলা হয়েছে, ‘ভারতে ভাইরাসের সংক্রমণ ক্রমেই ভয়াবহ আকার নিচ্ছে। স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য মাস্ক, গগলস ও পিপিই ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোলের নির্দেশনা অনুযায়ী।’

আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থা জানাচ্ছে, নিপা ভাইরাসের মৃত্যু হার ৪০-৭৫ শতাংশের মধ্যে, যা করোনাভাইরাসের তুলনায় অনেক বেশি। এই কারণেই ইংল্যান্ডসহ কয়েকটি দেশ তাদের দল ভারতে পাঠাতে অনিচ্ছুক।

টি-২০ বিশ্বকাপের ২০ দলের মধ্যে মাত্র ২০টি ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত হবে, বাকি সব ভারতে। এতগুলো ম্যাচ সরানো বা ভেন্যু পরিবর্তন করা আইসিসির জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে তাই এখন অত্যন্ত সতর্কভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, কারণ সময় কম এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি অনেক বেশি।

বিশ্বমিডিয়াও ভারতে ভাইরাসের ভয়াবহতা তুলে ধরছে, যা আরও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। খেলোয়াড় ও দর্শক উভয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অস্ট্রেলিয়া হারিয়ে তিন ম্যাচ সিরিজে লিড নিয়েছে পাকিস্তান

অস্ট্রেলিয়া হারিয়ে তিন ম্যাচ সিরিজে লিড নিয়েছে পাকিস্তান



তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তান অস্ট্রেলিয়াকে ২২ রানে হারিয়ে সিরিজে লিড নিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে স্বাগতিক পাকিস্তান ১৬৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিং শুরু করা অজিদের প্রতিরোধ ভেঙে দেয়। অস্ট্রেলিয়া ১৪৬ রানে থেমে যায় এবং প্রথম ম্যাচের জয় নিশ্চিত করে পাকিস্তান।

পাকিস্তান প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে শাহিবজাদা ফারহানকে হারায়। তবে সায়েম আইয়ুব ও সালমান আঘারের মধ্যকার ৭৪ রানের জুটি দলের জন্য শক্ত ভিত্তি তৈরি করে। সায়েম ৪০ রান করে ফেরেন, আর সালমান আঘার ৩৯ রান করে দলের পুঁজি শক্তিশালী করেন। দলের ক্যাপ্টেন বাবর আজম ২৪ রানে আউট হন। ধারাবাহিক উইকেট হারার পর পাকিস্তান নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৬৮ রানে ইনিংস শেষ করে। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন অ্যাডাম জাম্পা, যিনি ৪টি উইকেট নেন।

অজিদের জবাবে শুরুতে ম্যাথু শর্ট হারলেও ট্রাভিস হেড ও ক্যামেরুন গ্রিন জুটি গড়ে প্রতিরোধ চালান। তবে তাদের বিদায়ের পর অজিদের মিডল অর্ডার ভেঙে পড়ে। শেষ দিকে জেভিয়ার ৩৪ রানে অপরাজিত থাকলেও ম্যাচে ফেরাতে পারেননি। অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং লাইন ওপেনিং ও মিডল অর্ডারের ব্যর্থতায় বড় স্কোর তুলতে পারেনি।

ম্যাচ শেষে পাকিস্তানের জবাবে ব্যাটিং ও বোলিং উভয় বিভাগে ভালো পারফরম্যান্স ছিল উল্লেখযোগ্য। বোলাররা নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে নেন এবং ফিল্ডাররা গুরুত্বপূর্ণ ক্যাচ ও রান আউট করে অজিদের চাপের মধ্যে রেখেছে। বিশেষ করে অ্যাডাম জাম্পার বোলিংই অস্ট্রেলিয়ার ধীরগতির ইনিংসকে ভেঙে দেয়।

এই জয়ের মাধ্যমে পাকিস্তান সিরিজে ১-০ লিড নিল। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ হবে আগামী শনিবার একই মাঠে, বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টায়। দ্বিতীয় ম্যাচে অজিদরা নিজেদের খেলার ছন্দ ফেরাতে চেষ্টা করবে, আর পাকিস্তান প্রথম ম্যাচের জয়কে ধারাবাহিক করতে চাইবে। সিরিজের ফলাফল দক্ষিণ এশিয়ার ক্রিকেট ভক্তদের জন্য কৌতূহল জাগাচ্ছে, বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়া-পাকিস্তান দ্বৈরথ সবসময় উত্তেজনাপূর্ণ হয়।

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ মামলায় বাংলাদেশের পক্ষে রায়, ক্ষতিপূরণ ৪২ মিলিয়ন ডলার

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ মামলায় বাংলাদেশের পক্ষে রায়, ক্ষতিপূরণ ৪২ মিলিয়ন ডলার

 


টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে ২০০৫ সালের ভয়াবহ বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় আন্তর্জাতিক আদালতে বাংলাদেশের পক্ষে রায় এসেছে। রায়ে কানাডাভিত্তিক জ্বালানি কোম্পানি নাইকোকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে বাংলাদেশকে ৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৫১৬ কোটি টাকা, প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ধরে হিসাব করা হয়েছে।

ওয়াশিংটনভিত্তিক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটস (আইসিএসআইডি) এই রায় ঘোষণা করে। বৃহস্পতিবার পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজানুর রহমান বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, বিস্ফোরণের ফলে গ্যাসক্ষেত্রে প্রায় ৮ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পুড়ে যাওয়ায় ক্ষতির জন্য ৪০ মিলিয়ন ডলার এবং পরিবেশসহ অন্যান্য ক্ষতির জন্য অতিরিক্ত ২ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রটি ১৯৫৯ সালে আবিষ্কৃত হয়। পরবর্তী সময়ে কূপ খননের মাধ্যমে এক হাজার ৯০ মিটার থেকে এক হাজার ৯৭৫ মিটার গভীরতায় মোট নয়টি গ্যাস স্তরের সন্ধান পাওয়া যায়। দীর্ঘ বিরতির পর ২০০৩ সালে গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনের দায়িত্ব দেওয়া হয় কানাডিয়ান কোম্পানি নাইকোকে।

খননকাজ শুরুর দুই বছরের মাথায়, ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি ও ২৪ জুন গ্যাসক্ষেত্রে পরপর দুটি বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটে। এতে বিপুল পরিমাণ গ্যাস পুড়ে যায় এবং আশপাশের অবকাঠামো ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়।

ঘটনার পর বাংলাদেশ সরকার নাইকোর কাছে ৭৪৬ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করলেও প্রতিষ্ঠানটি তা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে ২০১৬ সালে প্রায় ৯ হাজার ২৫০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবিতে ওয়াশিংটনের আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করে বাংলাদেশ।

পেট্রোবাংলার তথ্যমতে, আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল রায়ে উল্লেখ করেছে যে খনন কার্যক্রম পুরোপুরি নাইকোর তত্ত্বাবধান ও ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছিল। আন্তর্জাতিক পেট্রোলিয়াম শিল্পের স্বীকৃত মানদণ্ড অনুসরণ না করা এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনে ব্যর্থ হওয়ার কারণেই বিস্ফোরণ ঘটে। এসব কারণ বিবেচনায় নাইকোকেই দায়ী করে বাংলাদেশকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ঘিরে কড়া নিরাপত্তা, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ নিয়ে সতর্ক শ্রীলঙ্কা

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ঘিরে কড়া নিরাপত্তা, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ নিয়ে সতর্ক শ্রীলঙ্কা



টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬কে সামনে রেখে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে শ্রীলঙ্কা। বিশেষ করে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার হাই-ভোল্টেজ ম্যাচ ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হচ্ছে। উপমহাদেশের বর্তমান উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে খেলোয়াড় ও দর্শকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ পাকিস্তান তাদের সব ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় খেলবে। গ্রুপ ‘এ’-তে থাকা পাকিস্তান প্রথমে সিনহালিজ স্পোর্টস ক্লাবে নেদারল্যান্ডস ও যুক্তরাষ্ট্রের মুখোমুখি হবে। এরপর ১৫ ফেব্রুয়ারি বহুল প্রতীক্ষিত ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে লড়াইয়ে নামবে মেন ইন গ্রিন।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর আগে কড়া নিরাপত্তা নিচ্ছে শ্রীলঙ্কা

যদিও ভারত এই টুর্নামেন্টের অন্যতম আয়োজক দেশ, আইসিসির একটি চুক্তির আওতায় পাকিস্তান তাদের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় খেলছে। এই চুক্তি অনুযায়ী, কোনো দল চাইলে রাজনৈতিক বা নিরাপত্তাজনিত কারণে নিরপেক্ষ ভেন্যু বেছে নিতে পারে।

‘মাদার অব অল ব্যাটলস’ নামে পরিচিত ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ সবসময়ই বিশ্ব ক্রিকেটে আলাদা আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। ক্রিকেটের বাইরেও দুই দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন এই লড়াইকে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তোলে।

এই ম্যাচ ঘিরে বিশ্বজুড়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ থাকে তুঙ্গে। স্টেডিয়ামে খেলা দেখতে ভারত ও পাকিস্তান থেকে বিপুল সংখ্যক দর্শকের উপস্থিতি প্রত্যাশা করা হচ্ছে। সেই কারণেই খেলোয়াড় ও সমর্থকদের জন্য নির্বিঘ্ন অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শ্রীলঙ্কা।

ডেইলি সান-এর বরাতে পুলিশ ও নিরাপত্তা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অংশগ্রহণকারী সব দলের নিরাপত্তায় রাষ্ট্রপ্রধানদের পাহারায় নিয়োজিত এলিট কমান্ডো ইউনিট মোতায়েন করা হবে।

তারা আরও জানান, বিমানবন্দর থেকে শুরু করে খেলোয়াড়দের ফেরত যাওয়া পর্যন্ত পুরো সময়জুড়েই সশস্ত্র নিরাপত্তা বলয়ে রাখা হবে দলগুলোকে।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ শ্রীলঙ্কা কোন কোন ম্যাচ আয়োজন করবে?

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ শ্রীলঙ্কা মোট ২০টি ম্যাচ আয়োজন করবে। এই ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে দুটি শহরের তিনটি ভেন্যুতে—কলম্বো ও পাল্লেকেলে।

কলম্বোর ঐতিহাসিক আর. প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে বেশ কয়েকটি হাই-প্রোফাইল ম্যাচ, যার মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয় ভারত-পাকিস্তান লড়াইটি রয়েছে। অন্যদিকে, সিনহালিজ স্পোর্টস ক্লাবে অনুষ্ঠিত হবে পাকিস্তান-নেদারল্যান্ডস, জিম্বাবুয়ে-ওমান, পাকিস্তান-যুক্তরাষ্ট্র, আয়ারল্যান্ড-ওমান এবং পাকিস্তান-নামিবিয়া ম্যাচগুলো।

এছাড়া পাল্লেকেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে শ্রীলঙ্কা-ওমান, অস্ট্রেলিয়া-শ্রীলঙ্কা, আয়ারল্যান্ড-জিম্বাবুয়ে এবং অস্ট্রেলিয়া-ওমানের গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো। এই ভেন্যুতেই তিনটি সুপার এইট ম্যাচও অনুষ্ঠিত হবে।

পাকিস্তানের অংশগ্রহণ এখনো অনিশ্চিত

শ্রীলঙ্কা যখন বিশ্বকাপ ঘিরে কড়া নিরাপত্তা প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখনো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি। পিসিবির দাবি, বাংলাদেশকে বিতর্কিতভাবে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে বাংলাদেশকে সমর্থন জানাতে পাকিস্তান সরকার এই অবস্থান নিয়েছে।

বর্তমানে পাকিস্তান অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলছে। সিরিজ শেষে খুব শিগগিরই বিশ্বকাপ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ম্যাচ বয়কট নিয়ে কঠোর অবস্থানে পাকিস্তান; শাস্তি এড়াতে বিশেষ পরিকল্পনা পিসিবির

ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ম্যাচ বয়কট নিয়ে কঠোর অবস্থানে পাকিস্তান; শাস্তি এড়াতে বিশেষ পরিকল্পনা পিসিবির



টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ ঘিরে সাম্প্রতিক নাটকীয় ঘটনার পর এবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে পাকিস্তান। বাংলাদেশের টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়ার পর এখন সালমান আলি আগার নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান দল এই মেগা ইভেন্টে অংশ নেবে কি না, সেটাই বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এর আগে নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ দেখিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আইসিসির কাছে আবেদন করেছিল, যেন তাদের ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। একাধিক দফা আলোচনা হলেও শেষ পর্যন্ত জয় শাহর নেতৃত্বাধীন আইসিসি কাউন্সিল বাংলাদেশকে পুরো টুর্নামেন্ট থেকেই বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

বাংলাদেশের বিদায় পিসিবিকে নতুন করে চাপে ফেলে। কারণ, এর আগে পিসিবি প্রকাশ্যে বিসিবির পাশে থাকার কথা জানিয়েছিল এবং প্রয়োজনে বিশ্বকাপ বয়কটের হুমকিও দিয়েছিল। তবে আইসিসি যে বাংলাদেশকে সরাসরি বাদ দিতে পারে, সেটি অনেকের কাছেই অপ্রত্যাশিত ছিল।

এ অবস্থায় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) ভূমিকা নিয়েই এখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মহলে চলছে জল্পনা। গত কয়েক দিনে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, মোহসিন নকভির নেতৃত্বাধীন বোর্ড একাধিক বিকল্প নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে।

১ ফেব্রুয়ারিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পিসিবির

গত সোমবার, ২৬ জানুয়ারি, পিসিবি চেয়ারম্যান মোহসিন নকভি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে দুটি সম্ভাব্য পথ নিয়ে আলোচনা হয়—একটি হলো পুরো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বয়কট করা, অন্যটি শুধুমাত্র ভারত-পাকিস্তান ম্যাচটি বর্জন করা।

উল্লেখ্য, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার গ্রুপ ম্যাচটি আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি শ্রীলঙ্কার কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

বৈঠক শেষে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না এলেও মোহসিন নকভি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, সব বিকল্প এখনো বিবেচনায় রয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, “প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। আইসিসি সংক্রান্ত সব বিষয় তাকে অবহিত করেছি। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, সব বিকল্প খোলা রেখে সমাধানে পৌঁছাতে। আগামী শুক্রবার অথবা সোমবারের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের দিকেই ঝুঁকছে পাকিস্তান

নকভির বক্তব্যের পর প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছিল, আইসিসির সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞার ভয়ে পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপে অংশ নেবে। তবে নতুন করে আলোচনায় এসেছে ভিন্ন তথ্য।

ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পিসিবি এখন গুরুত্ব সহকারে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বর্জনের বিষয়টি বিবেচনা করছে এবং শাস্তি এড়াতে একটি কৌশলও তৈরি করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, পিসিবি এই সিদ্ধান্তটিকে পুরোপুরি সরকারের ওপর ছেড়ে দিতে পারে এবং নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে এটিকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ হিসেবে উপস্থাপন করবে। এমন হলে আইসিসির পক্ষে পিসিবির বিরুদ্ধে সরাসরি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া কঠিন হবে।

ডনের একটি প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে এনডিটিভি জানায়, “পুরো টুর্নামেন্ট বয়কট করা পিসিবির প্রধান লক্ষ্য নয়। তবে ১৫ ফেব্রুয়ারির ভারত-পাকিস্তান ম্যাচটি পরিত্যাগ করার মতো যথেষ্ট যুক্তি তাদের হাতে রয়েছে, যা আইসিসির কোনো আর্থিক জরিমানা বা নিষেধাজ্ঞা এড়াতে সহায়ক হতে পারে।”

আরও বলা হয়, “পাকিস্তান যদি জানায় যে তারা সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী ভারতের বিপক্ষে খেলছে না, সেক্ষেত্রে আইসিসি পিসিবির ওপর আর্থিক বা প্রশাসনিক শাস্তি দিতে পারবে না।”

পাকিস্তান সরে দাঁড়ালে কী শাস্তি দিতে পারে আইসিসি?

উল্লেখযোগ্যভাবে, যখন পাকিস্তানের বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছিল, তখন আইসিসির পক্ষ থেকেও কঠোর বার্তা দেওয়া হয়েছিল। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, পিসিবি যদি পুরো টুর্নামেন্ট বয়কটের সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে বড় ধরনের শাস্তির মুখে পড়তে হবে।

এক্সপ্রেস স্পোর্টসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, পাকিস্তান বিশ্বকাপ না খেললে আইসিসি তাদের সব ধরনের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ স্থগিত করতে পারে। পাশাপাশি পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) বিদেশি ক্রিকেটারদের জন্য দেওয়া এনওসি বাতিল করা হতে পারে। এমনকি এশিয়া কাপ থেকেও ‘মেন ইন গ্রিন’-কে নিষিদ্ধ করার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।

সব মিলিয়ে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ ঘিরে অনিশ্চয়তা আরও ঘনীভূত হয়েছে। এখন ক্রিকেট বিশ্ব তাকিয়ে আছে পিসিবির চূড়ান্ত ঘোষণার দিকে, যা আসতে পারে ১ ফেব্রুয়ারি।

পাক-অস্ট্রেলিয়া টি-টোয়েন্টি সিরিজের ফটোশুটে তুক-তুকে “রিজওয়ান”! ভাইরাল হলো মিম

পাক-অস্ট্রেলিয়া টি-টোয়েন্টি সিরিজের ফটোশুটে তুক-তুকে “রিজওয়ান”! ভাইরাল হলো মিম



পাকিস্তান ক্রিকেট দল জানুয়ারি ২৯ থেকে ফেব্রুয়ারি ১ পর্যন্ত তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামছে। সিরিজের আগের প্রস্তুতি হিসেবে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) দুই দলের অধিনায়ক এবং সিরিজ ট্রফি নিয়ে একটি বিশেষ ফটোশুটের আয়োজন করে, যা সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়।

ফটোশুটের এক মুহূর্তে দেখা যায় পাকিস্তানের অধিনায়ক আঘা সালমান এবং অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক মিচেল মার্শ একটি তুক-তুকে চড়ে, হাতে নিজেদের দেশের পতাকা ধরে ছবি তুলছেন। ছবিটি স্বাভাবিকভাবেই হাস্যকর এবং আনন্দদায়ক মুহূর্ত হিসেবে ধরা হয়, কিন্তু হঠাৎই এই দৃশ্যটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়।

অনেক ফ্যানদের নজর কাড়ে যে তুক-তুকের ড্রাইভারটি দেখতে মোহাম্মদ রিজওয়ানের সঙ্গে অবাক করা মিল আছে। মোহাম্মদ রিজওয়ান, যিনি সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি দলে বাদ পড়েছিলেন, সেই দৃশ্যটি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় মজা শুরু হয়। ফ্যানরা একে নিয়ে নানা রকম মিম, হাস্যকর মন্তব্য ও জোকস শেয়ার করতে থাকে। কেউ লিখছে “রিজওয়ান অবশেষে পাকিস্তান দলে ফিরে এলেন!”, আবার কেউ বলছে “নতুন ভূমিকায় রিজওয়ান: তুক-তুক ড্রাইভার!”

পিসিবি বুধবার, ২৮ জানুয়ারি, ফটোশুটের ছবি এবং ভিডিও শেয়ার করে, যা মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। ফ্যানরা ছবিতে দুই অধিনায়ককে এবং তুক-তুক ড্রাইভারকে নিয়ে নানা রকম ক্রিয়েটিভ মিম বানাতে শুরু করে। অনেকে মন্তব্য করছেন যে, ক্রিকেটারদের মাঝে এমন হালকা-ফুলকা মুহূর্ত যেন খেলাধুলার চাপ কমিয়ে দেয় এবং সিরিজ শুরু হওয়ার আগে ফ্যানদের মধ্যে উচ্ছ্বাস বাড়ায়।



এদিকে, সিরিজটি পাকিস্তানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হতে গেলে পাকিস্তানকে শক্তিশালী দল সাজাতে হবে। তবে ফ্যানদের এই মজার মিম এবং মন্তব্য দেখলে বোঝা যায় যে, ক্রিকেট শুধু খেলা নয়, একই সঙ্গে ফ্যানদের জন্য আনন্দ এবং বিনোদনের উৎসও।

ফটোশুট এবং মিম ভাইরালের এই ঘটনা প্রমাণ করছে যে, ক্রিকেট কেবল মাঠের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; সোশ্যাল মিডিয়াতেও এটি ফ্যানদের মাঝে আলোচনার প্রধান কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

Friday, December 26, 2025

ভারতে বড়দিন উদযাপনে হামলা-ভাঙচুর, আটক ৪

ভারতে বড়দিন উদযাপনে হামলা-ভাঙচুর, আটক ৪


 

ভারতের একাধিক স্থানে বড়দিনের উৎসবে হামলা চালিয়েছে উগ্রপন্থীরা। ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়েছে অনুষ্ঠানস্থলে, ভাঙচুর করা হয়েছে সান্তা ক্লজের মূর্তিও। এ ঘটনায় আটক করা হয়েছে চার সন্দেহভাজনকে।

এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে দ্য হিন্দুসহ একাধিক ভারতীয় গণমাধ্যম।  

ঘটনাগুলোর একাধিক ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সামাজিক মাধ্যমে, যা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা চলছে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওগুলোতে দেখা যায়, উগ্র স্লোগান দিয়ে বড়দিনের সাজসজ্জা, মঞ্চ ও অন্যান্য সরঞ্জাম ভাঙচুর করছে উত্তেজিত মব। এ সময় শপিংমলের ভেতরে ঢুকেও তাণ্ডব চালায় তারা।

আসাম, ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ ও কেরালাসহ বেশ কয়েকটি রাজ্যেই এ ধরনের হামলা-ভাঙচুরের খবর পাওয়া গেছে।

অভিযোগ উঠেছে, এসব ঘটনার পেছনে কট্টর হিন্দুত্ববাদী সংগঠন বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি) ও বজরং দল, আরএসএসের মতো কট্টরপন্থা দলগুলোর হাত রয়েছে। জড়িত সন্দেহে আটকও করা হয়েছে চারজনকে।

এছাড়া, আরও বেশকিছু স্থানে বড়দিনের অনুষ্ঠানে খ্রিস্টান ধর্মানুসারীদের হেনস্তার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শিগগিরই থাইল্যান্ডে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের আশাবাদ

শিগগিরই থাইল্যান্ডে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের আশাবাদ

 


দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) চূড়ান্ত হলে শিগগিরই বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নিয়োগ শুরু করতে চায় থাইল্যান্ড। বাংলাদেশে নিযুক্ত থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে এমন আশাবাদের কথা জানিয়েছেন দেশটির শ্রমমন্ত্রী ত্রিনুচ থিয়েনথং।

বৈঠকে থাই শ্রমমন্ত্রী বলেন, দ্বিপাক্ষিক এমওইউ সম্পন্ন হলে নিকট ভবিষ্যতে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগ শুরু করা সম্ভব হবে। তিনি থাইল্যান্ডের চলমান শ্রমিক সংকট মোকাবিলার পাশাপাশি নিরাপদ ও টেকসই শ্রম অভিবাসন ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন।

এ সময় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ফয়েজ মুর্শিদ কাজী জানান, বাংলাদেশ নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত পদ্ধতিতে থাইল্যান্ডে কর্মী পাঠাতে প্রস্তুত। তিনি শ্রম অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের বিদ্যমান সিস্টেম ও প্রক্রিয়া সরেজমিনে দেখতে সংশ্লিষ্ট থাই কর্তৃপক্ষকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

রাষ্ট্রদূত কাজী থাই শ্রমমন্ত্রীকে এ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে হওয়া আলোচনা, বিশেষ করে থাইল্যান্ডের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের সঙ্গে বৈঠকের অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেন। একইসঙ্গে তিনি এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের অন্যান্য বড় শ্রম গন্তব্য দেশের উত্তম চর্চা অনুসরণে বাংলাদেশের আগ্রহের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে থাই শ্রমমন্ত্রী তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বাংলাদেশে সম্ভাব্য এমওইউ নিয়ে আলোচনা এগিয়ে নিতে নির্দেশ দেন।

এদিকে বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলের পক্ষ থেকে থাইল্যান্ডের শ্রমমন্ত্রীকে সুবিধাজনক সময়ে ঢাকা সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান রাষ্ট্রদূত কাজী।

উল্লেখ্য, প্রায় এক দশক ধরে থাইল্যান্ডের শ্রমবাজার বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য উন্মুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা চললেও সম্প্রতি দেশটির সীমান্ত এলাকায় সশস্ত্র সংঘাতের জেরে বিপুল সংখ্যক কম্বোডিয়ান শ্রমিক ফিরে যাওয়ায় বিষয়টি নতুন করে গতি পেয়েছে।