Showing posts with label politics. Show all posts
Showing posts with label politics. Show all posts

Monday, May 11, 2026

কোনো দলের হয়ে নয়, পুলিশ চলবে আইন অনুযায়ী : প্রধানমন্ত্রী

কোনো দলের হয়ে নয়, পুলিশ চলবে আইন অনুযায়ী : প্রধানমন্ত্রী

 



প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, পুলিশ কোনো রাজনৈতিক দলের অনুগত হবে না; বরং প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরিচালিত হবে। গতকাল রোববার ‘পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬’ উপলক্ষে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনস মিলনায়তনে আয়োজিত ‘কল্যাণ প্যারেডে’ প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতে একটি ‘ফ্যাসিবাদী সরকার’ নিজেদের স্বার্থে পুলিশকে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছিল। সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসে এখন জনগণের বিশ্বাস পুনরুদ্ধার করাই পুলিশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, থানায় গিয়ে সাধারণ মানুষ যেন রাষ্ট্রের মালিকানা অনুভব করতে পারেন এবং কোনো ভয় বা সুপারিশ ছাড়াই অভিযোগ জানাতে পারেন—এমন পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। মানুষের বিপদ কমবে—এই বিশ্বাস জনগণের মধ্যে তৈরি করাও পুলিশের দায়িত্ব।

গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনার মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছে, পুলিশ চাইলে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারে। তিনি আরও বলেন, আইন প্রয়োগের পাশাপাশি মানবিক আচরণ পুলিশের ভাবমূর্তি উন্নত করবে।

মাঠপর্যায়ে পুলিশকে সরকারের ‘অ্যাম্বাসেডর’ হিসেবেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আধুনিক ও মানবিক পুলিশ বাহিনী গড়ে তুলতে প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়ানো জরুরি। তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), বিগ ডেটা অ্যানালাইসিস, সাইবার সক্ষমতা ও বৈজ্ঞানিক তদন্ত পদ্ধতির বিস্তৃত ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ পুলিশকে প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক বাহিনীতে রূপান্তর করতে হবে।

সাইবার অপরাধ, কিশোর গ্যাং, আর্থিক জালিয়াতি, অনলাইন জুয়া ও মাদক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। বিশেষ করে, সাইবার বুলিং নারীদের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মাদক সরবরাহকারী ও মাদকের উৎসকে লক্ষ্য করে কঠোর অভিযান পরিচালনার নির্দেশনা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গুম, অপহরণ কিংবা বিচারবহির্ভূত কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার রক্ষা করা পুলিশের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব। তিনি জানান, পুলিশের বদলি, পদোন্নতি ও নিয়োগে মেধা, যোগ্যতা, দক্ষতা ও সততাকে প্রাধান্য দেওয়া হবে। পাশাপাশি আবাসন, চিকিৎসাসেবা, রেশন ও ঝুঁকি ভাতা বৃদ্ধির বিষয়ও সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে।

দেশের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, দুর্নীতি, দুঃশাসন, দুর্বল প্রশাসনিক কাঠামো, অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও ভঙ্গুর অর্থনীতির মধ্যেই সরকার দায়িত্ব নিয়েছে। বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতিও অতিরিক্ত চাপ তৈরি করেছে। তবে ধাপে ধাপে সব অঙ্গীকার বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, অস্ত্রের শক্তির চেয়ে মানবিকতা, ন্যায়বিচার ও নৈতিকতাই বড় শক্তি। একটি সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়াই সরকারের লক্ষ্য।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন আইজিপি আলী হোসেন ফকির। পরে পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যরা তাদের দাবি তুলে ধরেন। অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী পুলিশ সপ্তাহের কেক কাটেন এবং পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন।

Tuesday, May 5, 2026

শাপলা চত্বরে ৩২ জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা

শাপলা চত্বরে ৩২ জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা

 


রাজধানীর শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে। এখন পর্যন্ত শুধু ঢাকাতেই ৩২ জনকে হত্যার তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।


রোববার (৩ মে) সকালে নিজ কার্যালয়ে তিনি গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

১৩ বছর আগে ঢাকার শাপলা চত্বরে অবস্থান কর্মসূচি দিয়ে আলোচনায় আসে কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলাম। ব্লগারদের বিরুদ্ধে ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটূক্তির অভিযোগ, নারী নীতির বিরোধিতা এবং ১৩ দফা দাবি তুলে ওই কর্মসূচি পালন করা হয়। 

২০১৩ সালের ৫ মে দিনভর উত্তেজনা ও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে হেফাজতে ইসলামের ওই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে। রাতে মতিঝিলের শাপলা চত্বর এলাকায় ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে পুলিশ, র‍্যাব ও বিজিবির অভিযানে এলাকা খালি করা হয়।

চিফ প্রসিকিউটর জানান, তদন্তে সেই অভিযানে ৩২ জন নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। তবে তদন্ত শেষ পর্যায়ে থাকায় প্রকৃত মৃত্যুর সংখ্যা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

Thursday, January 29, 2026

পদ্মাপাড়ে তারেক রহমান, দুপুরে বিশাল জনসভায় যোগ দিচ্ছেন

পদ্মাপাড়ে তারেক রহমান, দুপুরে বিশাল জনসভায় যোগ দিচ্ছেন




নির্বাচনী প্রচারণাকে ঘিরে উত্তরাঞ্চলের রাজনীতিতে নতুন গতি যোগ হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান রাজশাহীতে পৌঁছেছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাকে বহনকারী বিমান রাজশাহী শাহ মখদুম বিমানবন্দরে অবতরণ করে। উত্তরাঞ্চলে ভোটের মাঠে সরাসরি প্রচারণায় অংশ নিতে আজ সকালে তিনি সস্ত্রীক ঢাকার বাসভবন ত্যাগ করেন।

রাজশাহীতে পৌঁছানোর পরপরই বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান হযরত শাহ মখদুম রহমাতুল্লাহ আলাইহির (রহ.) মাজারে জিয়ারত করার কথা রয়েছে। সেখানে মোনাজাত শেষে তিনি নির্বাচনী সমাবেশস্থলের উদ্দেশে রওনা দেবেন। দলীয় সূত্র জানিয়েছে, এই সফরের মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন এবং দলীয় নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করাই মূল লক্ষ্য।

এদিকে তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে রাজশাহী নগরীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে ভোর থেকেই বিএনপির নেতাকর্মীরা জড়ো হতে শুরু করেন। বিভিন্ন উপজেলা ও জেলা থেকে আসা নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে মাঠ ও আশপাশের এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। প্রিয় নেতাকে একনজর দেখার পাশাপাশি তার বক্তব্য শোনার অপেক্ষায় রয়েছেন হাজারো সমর্থক।

রাজশাহীর সমাবেশ শেষে বিএনপি চেয়ারম্যান নওগাঁ জেলার এটিএম মাঠে আয়োজিত আরেকটি নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখবেন। এরপর সড়কপথে তিনি বগুড়ার উদ্দেশে যাত্রা করবেন। পথে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত মতবিনিময়েরও সম্ভাবনা রয়েছে। রাতে বগুড়ার আলতাফুন্নেসা খেলার মাঠে আয়োজিত জনসভায় যোগ দিয়ে উত্তরাঞ্চলে তার প্রথম দিনের কর্মসূচি শেষ করবেন তিনি।

দলীয় কর্মসূচি অনুযায়ী, শুক্রবার তারেক রহমান রংপুরে গিয়ে আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করবেন। এরপর সেখানে আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন। ওইদিনের কর্মসূচি শেষে তিনি বগুড়ায় রাত্রিযাপন করবেন।

শনিবার বগুড়া থেকে যাত্রা শুরু করে সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইলে ধারাবাহিক নির্বাচনী জনসভায় অংশ নেবেন বিএনপি চেয়ারম্যান। এসব কর্মসূচি শেষ করে তিনি ঢাকায় ফিরে যাওয়ার কথা রয়েছে। দলীয় নেতারা আশা করছেন, তারেক রহমানের এই উত্তরাঞ্চল সফর নির্বাচনী মাঠে বিএনপির অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে।

Friday, December 26, 2025

স্মৃতিসৌধের পথে তারেক রহমান

স্মৃতিসৌধের পথে তারেক রহমান

 



মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে যাচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকেলে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও পিতা জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করে সাভারের পথে রওনা হন তিনি।

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে স্মৃতিসৌধ এলাকা সাজিয়ে-গুছিয়ে রাখা হয়েছে। একইসঙ্গে স্মৃতিসৌধ এলাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

এর আগে, পিতার কবর জিয়ারত ও স্মৃতিসৌধে যাওয়ার উদ্দেশে শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) দুপুর ২টা ৫২ মিনিটে বাসা থেকে বের হন তারেক রহমান। পথে নেতাকর্মীদের ভিড় থাকায় জিয়াউর রহমানের সমাধিস্থলে পৌঁছান বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটের দিকে। এরপর সেখানে মোনাজাতে অংশ নিয়ে রওনা দেন সাভারের পথে।

কিন্তু সূর্য ডুবে যাওয়ায় ইতোমধ্যে রীতি মেনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য‍ মইন খানের নেতৃত্বে বিনপির একটি প্রতিনিধি দল তারেক রহমানের পক্ষ থেকে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। তবে তারেক রহমান যাচ্ছেন স্মৃতিসৌধে।

লঞ্চ দুর্ঘটনায় হতাহতদের জন্য অনুদানের ঘোষণা নৌ উপদেষ্টার

লঞ্চ দুর্ঘটনায় হতাহতদের জন্য অনুদানের ঘোষণা নৌ উপদেষ্টার

 


চাঁদপুরের মেঘনা নদীতে লঞ্চ দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে দেড় লাখ টাকা এবং আহতদের চিকিৎসার জন্য ৫০ হাজার টাকা অনুদান দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা ড. এম সাখাওয়াত হোসেন। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) রাজধানীর সদরঘাটে ক্ষতিগ্রস্ত লঞ্চ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

উপদেষ্টা বলেন, সব ধরনের পরিবহনের মধ্যে নদীপথ তুলনামূলকভাবে নিরাপদ। তারপরও এ ধরনের দুর্ঘটনা মেনে নেয়া যায় না। আমি নিজেও নিয়মিত নদীপথে যাতায়াত করি। লক্ষ্য করেছি, অনেক সময় রাতে লঞ্চ চলাচলের ক্ষেত্রে লাইট ব্যবহার করা হয় না।

তিনি জানান, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আট সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুই লঞ্চের দায়িত্বপ্রাপ্তদের গ্রেফতারের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

তিনি আরো জানান, এরই মধ্যে কয়েকটি নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। রাতে কুয়াশার মধ্যে কোনো লঞ্চ চলাচল করতে পারবে না। রাতে কোথাও দাঁড়ালে অবশ্যই লাইট ব্যবহার করতে হবে। এ মৌসুমে বাল্কহেড সকাল ৮টার আগে চলাচল করতে পারবে না। এসব নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্টদের গ্রেফতার করা হবে।

ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, এ ধরনের দুর্ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ঝড় বা তুফানে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, কিন্তু যেভাবে দুটি লঞ্চের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে, তাতে মনে হয় চালক ঘুমিয়ে পড়েছিলেন অথবা অন্য কাউকে দিয়ে লঞ্চ চালাচ্ছিলেন। তবে তদন্ত ছাড়া নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাবে না।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে কোনো লঞ্চচালক সঠিকভাবে লঞ্চ পরিচালনা না করলে, রাতে লাইট ব্যবহার না করলে বা নির্দেশনা অমান্য করলে তাদের রুট পারমিট ও লাইসেন্স বাতিল করা হবে।

তারেক রহমানের হাত ধরে গণতান্ত্রিক যাত্রায় এগিয়ে যাবে দেশ: মির্জা ফখরুল

তারেক রহমানের হাত ধরে গণতান্ত্রিক যাত্রায় এগিয়ে যাবে দেশ: মির্জা ফখরুল



বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাত ধরে দেশ গণতান্ত্রিক যাত্রার পথে এগিয়ে যাবে। তার রাজসিক প্রত্যাবর্তন সেই বার্তা বহন করে।

শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) দুপুরে জিয়াউর রহমানের মাজার প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনেরও প্রত্যাশাও জানান তিনি।

দীর্ঘ ১৯ বছর পর আজ জিয়াউর রহমানের সমাধিতে যাচ্ছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সর্বশেষ ২০০৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর বাবার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।

সূর্যাস্তের আগে স্মৃতিসৌধে পৌঁছতে পারেননি তারেক রহমান, শ্রদ্ধা জানালেন দলের প্রতিনিধিরা

সূর্যাস্তের আগে স্মৃতিসৌধে পৌঁছতে পারেননি তারেক রহমান, শ্রদ্ধা জানালেন দলের প্রতিনিধিরা




বিকাল ৫টার পর তার পক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও ড. আব্দুল মঈন খানসহ একটি প্রতিনিধিদল। পথে জনতার ভিড়ের কারণে সূর্যাস্তের আগে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পৌঁছতে পারেননি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নিয়ম অনুযায়ী সূর্যাস্তের আগে স্মৃতিসৌধের মূল বেদীতে শ্রদ্ধা জানাতে হয়। এ কারণে বিকাল ৫টার পর তার পক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও ড. আব্দুল মঈন খানসহ একটি প্রতিনিধিদল। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের পথে রয়েছেন। এদিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক নিরাপত্তায় বিকাল পৌনে ৫টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের সমাধিস্থলে পৌঁছান তিনি। সেখানে বাবার কবর জিয়ারত ও ফুলেল শ্রদ্ধা জানিয়ে জাতীয় স্মৃতিসৌধের উদ্দেশে রওনা হন। পথে জনতার ভিড়ের কারণে সূর্যাস্তের আগে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পৌঁছাতে পারেননি তিনি।