Showing posts with label আন্তর্জাতিক. Show all posts
Showing posts with label আন্তর্জাতিক. Show all posts

Thursday, January 29, 2026

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ মামলায় বাংলাদেশের পক্ষে রায়, ক্ষতিপূরণ ৪২ মিলিয়ন ডলার

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ মামলায় বাংলাদেশের পক্ষে রায়, ক্ষতিপূরণ ৪২ মিলিয়ন ডলার

 


টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে ২০০৫ সালের ভয়াবহ বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় আন্তর্জাতিক আদালতে বাংলাদেশের পক্ষে রায় এসেছে। রায়ে কানাডাভিত্তিক জ্বালানি কোম্পানি নাইকোকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে বাংলাদেশকে ৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৫১৬ কোটি টাকা, প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ধরে হিসাব করা হয়েছে।

ওয়াশিংটনভিত্তিক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটস (আইসিএসআইডি) এই রায় ঘোষণা করে। বৃহস্পতিবার পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজানুর রহমান বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, বিস্ফোরণের ফলে গ্যাসক্ষেত্রে প্রায় ৮ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পুড়ে যাওয়ায় ক্ষতির জন্য ৪০ মিলিয়ন ডলার এবং পরিবেশসহ অন্যান্য ক্ষতির জন্য অতিরিক্ত ২ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রটি ১৯৫৯ সালে আবিষ্কৃত হয়। পরবর্তী সময়ে কূপ খননের মাধ্যমে এক হাজার ৯০ মিটার থেকে এক হাজার ৯৭৫ মিটার গভীরতায় মোট নয়টি গ্যাস স্তরের সন্ধান পাওয়া যায়। দীর্ঘ বিরতির পর ২০০৩ সালে গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনের দায়িত্ব দেওয়া হয় কানাডিয়ান কোম্পানি নাইকোকে।

খননকাজ শুরুর দুই বছরের মাথায়, ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি ও ২৪ জুন গ্যাসক্ষেত্রে পরপর দুটি বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটে। এতে বিপুল পরিমাণ গ্যাস পুড়ে যায় এবং আশপাশের অবকাঠামো ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়।

ঘটনার পর বাংলাদেশ সরকার নাইকোর কাছে ৭৪৬ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করলেও প্রতিষ্ঠানটি তা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে ২০১৬ সালে প্রায় ৯ হাজার ২৫০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবিতে ওয়াশিংটনের আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করে বাংলাদেশ।

পেট্রোবাংলার তথ্যমতে, আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল রায়ে উল্লেখ করেছে যে খনন কার্যক্রম পুরোপুরি নাইকোর তত্ত্বাবধান ও ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছিল। আন্তর্জাতিক পেট্রোলিয়াম শিল্পের স্বীকৃত মানদণ্ড অনুসরণ না করা এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনে ব্যর্থ হওয়ার কারণেই বিস্ফোরণ ঘটে। এসব কারণ বিবেচনায় নাইকোকেই দায়ী করে বাংলাদেশকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

Monday, January 26, 2026

সব বাংলাদেশি সাংবাদিকের মিডিয়া অ্যাক্রিডিটেশন স্থগিত করলো আইসিসি

সব বাংলাদেশি সাংবাদিকের মিডিয়া অ্যাক্রিডিটেশন স্থগিত করলো আইসিসি

 


ভারতে গিয়ে খেলতে অনিচ্ছা প্রকাশের জেরে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ বাতিলের পর এবার আরও কঠোর অবস্থানে গেল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। টুর্নামেন্ট কাভার করার উদ্দেশ্যে আবেদন করা বাংলাদেশের সব সাংবাদিকের মিডিয়া অ্যাক্রিডিটেশন বাতিল করেছে সংস্থাটি। এর ফলে এবারের বিশ্বকাপে বাংলাদেশের কোনো সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধির উপস্থিতি থাকছে না।

আইসিসির নির্ধারিত নিয়ম মেনে যেসব বাংলাদেশি সাংবাদিক টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ কাভারের জন্য আবেদন করেছিলেন, তাদের সবাইকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে আবেদনগুলো গ্রহণযোগ্য হয়নি। এর আগেই নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক অজুহাতে ভারত সফরে অনীহা দেখানোর কারণে বাংলাদেশকে বিশ্বকাপের মূল পর্ব থেকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয় আইসিসি।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ১৯৯৯ সাল থেকে শুরু করে প্রতিটি ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশি সাংবাদিকদের সক্রিয় ও পেশাদার উপস্থিতি ছিল। এমনকি ১৯৯৯ সালের আগেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বড় মঞ্চে বাংলাদেশের সাংবাদিকরা দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করেছেন।

আইসিসির এই নজিরবিহীন সিদ্ধান্তে দেশের ক্রীড়া সাংবাদিক মহলে ব্যাপক ক্ষোভ ও প্রতিবাদ দেখা দিয়েছে। অনেকেই এটিকে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি হস্তক্ষেপ এবং বাংলাদেশের ক্রিকেটের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ হিসেবে দেখছেন। ইতোমধ্যে বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি সর্বস্তরের মানুষকে সংহতি প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছে।

Friday, December 26, 2025

ভারতে বড়দিন উদযাপনে হামলা-ভাঙচুর, আটক ৪

ভারতে বড়দিন উদযাপনে হামলা-ভাঙচুর, আটক ৪


 

ভারতের একাধিক স্থানে বড়দিনের উৎসবে হামলা চালিয়েছে উগ্রপন্থীরা। ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়েছে অনুষ্ঠানস্থলে, ভাঙচুর করা হয়েছে সান্তা ক্লজের মূর্তিও। এ ঘটনায় আটক করা হয়েছে চার সন্দেহভাজনকে।

এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে দ্য হিন্দুসহ একাধিক ভারতীয় গণমাধ্যম।  

ঘটনাগুলোর একাধিক ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সামাজিক মাধ্যমে, যা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা চলছে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওগুলোতে দেখা যায়, উগ্র স্লোগান দিয়ে বড়দিনের সাজসজ্জা, মঞ্চ ও অন্যান্য সরঞ্জাম ভাঙচুর করছে উত্তেজিত মব। এ সময় শপিংমলের ভেতরে ঢুকেও তাণ্ডব চালায় তারা।

আসাম, ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ ও কেরালাসহ বেশ কয়েকটি রাজ্যেই এ ধরনের হামলা-ভাঙচুরের খবর পাওয়া গেছে।

অভিযোগ উঠেছে, এসব ঘটনার পেছনে কট্টর হিন্দুত্ববাদী সংগঠন বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি) ও বজরং দল, আরএসএসের মতো কট্টরপন্থা দলগুলোর হাত রয়েছে। জড়িত সন্দেহে আটকও করা হয়েছে চারজনকে।

এছাড়া, আরও বেশকিছু স্থানে বড়দিনের অনুষ্ঠানে খ্রিস্টান ধর্মানুসারীদের হেনস্তার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শিগগিরই থাইল্যান্ডে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের আশাবাদ

শিগগিরই থাইল্যান্ডে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের আশাবাদ

 


দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) চূড়ান্ত হলে শিগগিরই বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নিয়োগ শুরু করতে চায় থাইল্যান্ড। বাংলাদেশে নিযুক্ত থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে এমন আশাবাদের কথা জানিয়েছেন দেশটির শ্রমমন্ত্রী ত্রিনুচ থিয়েনথং।

বৈঠকে থাই শ্রমমন্ত্রী বলেন, দ্বিপাক্ষিক এমওইউ সম্পন্ন হলে নিকট ভবিষ্যতে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগ শুরু করা সম্ভব হবে। তিনি থাইল্যান্ডের চলমান শ্রমিক সংকট মোকাবিলার পাশাপাশি নিরাপদ ও টেকসই শ্রম অভিবাসন ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন।

এ সময় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ফয়েজ মুর্শিদ কাজী জানান, বাংলাদেশ নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত পদ্ধতিতে থাইল্যান্ডে কর্মী পাঠাতে প্রস্তুত। তিনি শ্রম অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের বিদ্যমান সিস্টেম ও প্রক্রিয়া সরেজমিনে দেখতে সংশ্লিষ্ট থাই কর্তৃপক্ষকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

রাষ্ট্রদূত কাজী থাই শ্রমমন্ত্রীকে এ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে হওয়া আলোচনা, বিশেষ করে থাইল্যান্ডের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের সঙ্গে বৈঠকের অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেন। একইসঙ্গে তিনি এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের অন্যান্য বড় শ্রম গন্তব্য দেশের উত্তম চর্চা অনুসরণে বাংলাদেশের আগ্রহের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে থাই শ্রমমন্ত্রী তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বাংলাদেশে সম্ভাব্য এমওইউ নিয়ে আলোচনা এগিয়ে নিতে নির্দেশ দেন।

এদিকে বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলের পক্ষ থেকে থাইল্যান্ডের শ্রমমন্ত্রীকে সুবিধাজনক সময়ে ঢাকা সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান রাষ্ট্রদূত কাজী।

উল্লেখ্য, প্রায় এক দশক ধরে থাইল্যান্ডের শ্রমবাজার বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য উন্মুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা চললেও সম্প্রতি দেশটির সীমান্ত এলাকায় সশস্ত্র সংঘাতের জেরে বিপুল সংখ্যক কম্বোডিয়ান শ্রমিক ফিরে যাওয়ায় বিষয়টি নতুন করে গতি পেয়েছে।